জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘জুলাইয়ের অঙ্গীকার—ইনসাফের বাংলাদেশ বিনির্মাণ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে ছাত্রশিবিরের যশোর জেলা পূর্ব শাখার উদ্যোগে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৯ জুলাই) এ গণমিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বিকেলে শহরের মোহন বটতলা থেকে গণমিছিলটি শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মনিরামপুর পৌরসভার সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। মিছিলে ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী অংশ নেন। তারা জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়ন, ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র বিনির্মাণ, গণভোটের রায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

সমাবেশে জেলা পূর্ব শাখার সেক্রেটারি আবু জাফরের সভাপতিত্বে এবং অফিস সম্পাদক আমান উল্লাহর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির যশোর জেলা পূর্ব শাখার সভাপতি এম. মিনারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, জুলাইয়ের আত্মত্যাগ কেবল স্মরণ করার বিষয় নয়, বরং একটি ইনসাফভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও জবাবদিহিমূলক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার বাস্তবায়নের বিষয়। তিনি গণভোটের রায়ের যথাযথ বাস্তবায়ন, জুলাই সনদ পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর এবং গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাবেক কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য এবং যশোর শহর ও জেলা পূর্ব শাখার সাবেক সভাপতি এইচ. এম. শামিম বলেন, জুলাই আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানাতে হলে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন জাতির নৈতিক দায়িত্ব।

এ সময় যশোর জেলা পূর্ব শাখা ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ থেকে বক্তারা গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের পাশাপাশি জুলাই গণহত্যার বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার আহ্বান জানান এবং ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।