আগামী ৫ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য বগুড়া চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ এনে অবিলম্বে পরিচালনা কমিটি বাতিল করে নতুন নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠনের দাবী জানিয়েছেন সেলিম-এরশাদ প্যানেলের সভাপতি পদপ্রার্থী মোঃ সেলিম রেজা।

আজ ৩ জুলাই (শুক্রবার) বিকেলে বগুড়া প্রেসক্লাবে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই দাবী জানান।

লিখিত বক্তব্যে সেলিম রেজা বলেন, নির্বাচন পরিচালনার জন্য গঠিত নির্বাচন পরিচালনা কমিটি শুরু থেকেই পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন। একটি প্যানেলের পক্ষ থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়। একই প্যানেলের পক্ষ থেকে ভোটারদের নিয়ে ভোজসভার আয়োজন করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এসব বিষয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির নিকট অভিযোগ দিলেও তারা গুরুত্ব দেয়নি।

তিনি অভিযোগ করেন, সবশেষ ভোটার আইডি কার্ড বিতরণ নিয়ে চরম অনিয়ম করেছে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। একটি প্যানেলকে ভোটের আগেই বিজয়ী করতে উঠেপড়ে লেগেছেন তারা। ভোটার আইডি কার্ড ভোটারকে নিজে উপস্থিত হয়ে সংগ্রহ করার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদান করা হলেও উক্ত প্যানেলের পক্ষ থেকে দুইজনের স্বাক্ষরে প্রায় ৬ শতাধিক ভোটার আইডি কার্ড উত্তোলন করা হয়েছে। এমনকি উক্ত প্যানেলের পক্ষ থেকে মোবাইলে মেসেজ দিয়ে ভোটারদেরকে তাদের নিকট হতে কার্ড সংগ্রহ করতে বলা হচ্ছে। এ বিষয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে প্রথমে তারা অস্বীকার করেন। পরবর্তীতে রেজিষ্টার চেক করে দেখা যায় সভাপতি পদপ্রার্থী আতিকুর রহমান বাদলের প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার (স্বাক্ষর অস্পষ্ট) এবং একই অফিসের ষ্টাফ রফিকুলের স্বাক্ষরে এসব কার্ড উত্তোলন করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চেম্বারের অফিস সেক্রেটারি মাসুদ রানা আমাদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে। নির্বাচন পরিচালনা কমিটি এবং অফিস স্টাফদের আচরণে মনে হচ্ছে তারা একটি বিশেষ প্যানেলকে বিজয়ী করার জন্যই কাজ করছেন। এমতাবস্থায় আসন্ন নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়ার ব্যাপারে আমরা সন্দিহান।

সেলিম রেজা বলেন, উপরোক্ত কারনে এই নির্বাচন পরিচালনা কমিটির অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয় বলে আমরা মনে করি। আমরা নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে এই নির্বাচন পরিচালনা কমিটি বাতিল করে নতুন পরিচালনা কমিটি গঠনের জোর দাবী জানাচ্ছি।